Posts

সে কবে আমাদের হয়ে ছিলো দেখা

Image
সেই কবে সেই কবে হয়ে ছিলো আমাদের দেখা  সেই কবে,  সেই কবে স্টেশন পেড়িয়েছিলো ট্রেন,  সেই কবে মেঘ আবর্তন করে ছিলো চাঁদ,  সেই কবে শরতের আকাশ হয়ে ছিলো বৃষ্টিস্নাত,  সেই কবে, সেই কবে ৷  সেই কবে আমাদের হয়ে ছিলো দেখা,  সেই কবে ৷  সেই কবে মানুষের আত্মারা হাহাকার নিয়ে ছেড়ে ছিল পৃথিবী,  সেই কবে মৃত্যুর কালো আবরণ মুক্তি দিয়েছিলো জীবনমৃত লাশগুলোকে, সেই কবে বসন্ত তরু, বুক চিরে ভরিয়ে  ছিলো তেপান্তর জুড়ে শুষ্ক পাতা  সেই কবে, সেই কবে!   সেই কবে আমাদের হয়ে ছিলো দেখা,  সেই কবে!  সেই কবে আমাদের প্রত্যাশার মৃত্যু হয়েছিলো,  সেই কবে সূর্যগ্রহণের  বুক চিরে পৃথিবীতে নেমে এসে ছিলো আন্ধকার ,  সেই কবে এক মহা বিপ্লবে , মনুষ্যত্ব জুড়ে জড়ো হয়ে ছিলো সব ক্ষুধার্ত প্রাণের মিছিল,  সেই কবে, সেই কবে ৷  সেই কবে আমাদের হয়ে ছিলো দেখা,  সেই কবে!  সেই কবে, পৃথিবীর প্রেম আলিঙ্গন করে ছিলো মুক্ত আকাশ ,  সেই কবে, স্রোতস্বিনী তট পেয়েছিলো মুক্ত প্রবাহ ধারা,  সেই কবে, ফিনিক্স পাখির বুক হয়ে ছিলো ঝাঝড়া  মৃত্যু অপেক...
Image
বিদায়   _____খন্দকার_হিমেল আমি কেমনে তোমারে দিব বিদায়?      প্রিয়তমা আমার ! আজকের প্রভাতে লুকিয়ে ছিল সূর্য                       মেঘের অন্তরালে, সন্ধ্যায়  জেগেছিল   আকাশ                    গোধূলির রক্তিম রঙে,  আর রাতের নিকষে হেঁসে ছিল চাঁদ                   মেঘের   কলহ  ভেঙে   ৷   আমি তোমায় রাগিয়েছি             কখনো কাঁদিয়েছি,  তবে কখনও ছেঁড়ে যাওয়ার কথা;              ভাবতেও পারি নি ৷      তুমি বিশ্বাস কর আজ আমি কদমের গায়ে ঝরতে দেখেছি জল        সে-কি ছিল শুধুই বৃষ্টির সমাপ্ততা? তোমার বিচ্ছিন্নতার পত্র প্রকাশে, আজ বিরাট আকাশে     আমার চাহনি ছিল রঙ বিভ্রট ফ্যাঁকাসে  ৷     আজ তোমায় কেমনে দিব বিদায়,    ...

কবিতা

Image
এপিটাফ খন্দকার হিমেল ________________ সবাই চলে গেল জীবনের ব্যাস্ততা নিয়ে সবার নিজস্ব স্রোতে আমি ঘুমহীন মধ্যরাত্রি নিয়ে, জেগে আছি সহস্র রাত যেমন জেগে আছে আকাশের লক্ষাধীক নক্ষত্র জেগে আছে স্রোতসীন নদী ঝিমঝিম শব্দ নিয়ে কীট পতঙ্গ আর বিরাট এক দখিনা প্রবাহ এ আকাশ বড় নির্জন বিরাট নীলের মাঝে এক বিশাল শূন্যতা যেমন শূন্য আমি ও আমার আবেগ এই বাতাসের বয়ে চলা বড্ড বেখেয়াল,এক বিশাল নিরন্তরের পথিক যেমন বেখেয়াল আমি, আর ঠিকানাহীন আমার স্বপ্ন এই নদীর প্রবাহ বড্ড  দুর্বার, অপ্রতিরোধ্য যেমন অপ্রতিরোধ্য আমার দুর্ভাবনা আমি নিলান্তরের ঢেউয়ে গা ভাসানো বিষাদগ্রস্ত মস্তিষ্ক বহনকারী এক সময়ের নির্বাক পথিক এক অশ্রুহীন হতাশাগ্রস্ত মানব আমি পাথর পাষাণ এক বিরাট মহাপ্রাচীর প্রাণহীন এক প্রত্যাশার পাহারাদার আমি আমার কুড়ে খাওয়া মেয়াদ উত্তির্ন মস্তিষ্ক নিয়ে নির্বাসিত -  চলমান কথিত সভ্যতার কাছে আমার পিছনে বিরাট অনিমেষ সভ্যতা যা আমি উপেক্ষা করে এসেছি, আমার ঘুণে ধরা, অপেক্ষাতর বোকা চিন্তার প্রকাশে আমার প্রতিধ্বনিত চিৎকার তুমি বা তোমারা শোনে নিও আমার এপিটাফের শত শব্দে

কবিতা

Image
অসমাপ্ত কবিতা         ------খন্দকার হিমেল   আমি কখনো মূল্যায়িত করতে চাইনি নিজেকে  এই ধুসর পৃথিবীর সস্তা প্রাপ্তির মাঝে যেখানে মানুষের বিভরতা আদতে শূন্যতায় আমি দেখেছি মানুষের নির্বাক অবহেলা সময়ের সাথে বদলে যাওয়া কখনো কর্পোরেট অহংকার আর নোটের বান্ডিলে মনুষ্যত্ব খোঁজা আমার অমূল্যায়িত পরাজয় আমায় কাঁদিয়েছে বৃষ্টির সাথে আশ্রু আর বৃষ্টি, উৎস আলাদা হলেও রঙ একই আমার সকল অস্ফুট ধ্বনির মাঝেও  আমি আদতে ছিলাম এক জবাবের অপেক্ষায় এক বাঁধ ভাঙা শব্দ প্রবাহ যা আমাকে প্রকাশিত করবে সর্ব সম্মুখে আর কাঁদাবে অন্তরালে আমি নিদারুন এক হাঁসির অপেক্ষায় যেমন হেঁসে ছিল পরাজয় আর মৃত্যু লগ্নেও মানুষ চিনতে পারার উল্লাসে নবাব সিরাজ উদ দৌলা যেমন হেঁসে ছিল সদ্য জন্মানো পুষ্প পবিত্রতায় এক নবজাতক তার প্রথম হাঁসিতে

কবিতা

Image
ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি       ---  খন্দকার হিমেল  আমরা পৃথিবীর মানুষেরা , আজ মানুষ হয়েও, মনুষ্যত্বের কতো দূরে  ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির মুখোশে কতদূরের অপরিচিত মুখগুলোও খুঁজে পায় এক সম্পর্ক কখনো তা বন্ধু তালিকা, কখনো বা তা অনুসারী কতো শূন্যতার মুখগুলো  শত সহস্র মানুষের মাঝেও এক অজানা বন্ধনে বন্দী হয় হাজার পাতার স্টেটাসে সমমনা চিন্তা, সমমনা পছন্দ যুক্ত করে আমাদের তাত্ত্বিক জগতের বাইরে, অন্য এক দুনিয়ায় তবে কখনো দূর থেকে সে মানুষ ও তার বর্তমান রয়ে যায় অন্তরালে, কখনোতো এমনও হয় কারোর বিদায় প্রহর চলে আসে সবার অন্তরালে, একজন পরিচিতি অপরিচিতকে নিয়ে ভাবতে গেলেও তাকে যে জানা প্রয়োজন সে সুযোগও থাকে না, তাত্ত্বিক জগতে ফেরারি হয়ে যাওয়া সেই মানুষটা ভার্চ্যুয়াল জগতে রয়ে সেই একই অপরিবর্তনীয় ৷  কখনো সেই পরিচিতি অপরিচিতর শেষ বা কখনোও প্রথম দেখাটাও হয় না   ৷  দূর থেকে দেখার আক্ষেপ নিয়ে মনটা বলে যায় শুধু ভালো থেকো বা থাকবেন  উৎসর্গঃ সদ্য প্রয়াত আমার অপরিচিতা ফেসবুক ফ্রেন্ড  সাদিয়া নিতু

কবিতা

Image
এই রাজপথ আমার - খন্দকার হিমেল এই রাজপথ আমার     স্লোগানে কম্পিত দ্রোহের আগুন  এই রাজপথ আমার       বিপ্লবী রক্তের  মশালের জ্বালানি  এই রাজপথ আমার     ভাইয়ের রক্তে রঞ্জিত শহীদ মিনার  এই রাজপথ আমার   স্বাধীনতা প্রত্যাশার ক্ষোভে ফিরে আসা বারবার এই রাজপথ আমার            শত বর্ষের শত স্বাধীনতার উন্মাদনার আভাস এই রাজপথ আমার     আন্দোলনের জোয়ার, ভেঙে ফেলা ব্যারিকেড  এই রাজপথ আমার            বিপ্লব, দ্রোহ,প্রেম, জাগরণ, ক্ষোভ, স্বাধীনতা, স্লোগান,   বিক্ষোভ  এই রাজপথ আমার     পতাকা রাঙা  আগুন আলোর মিছিল   এই রাজপথ আমার    ইতিহাস, ঐতিহ্য,  অনুপ্রেরণা, সংগ্রাম   এই রাজপথ আমার শুভ চিন্তার  তারুণ্যের জোয়ারে লক্ষ নবীন প্রাণ  উৎসর্গঃ জসীম  জসীম  https://www.facebook.com/Poem-of-himel-103030995387854/

কবিতা

Image
অস্তিত্বের শূন্যতা       ______খন্দকার হিমেল  আমি যদি আকাশের মেঘ হতাম প্রিয়,   তবে অনেক ভারী হয়ে হয়তো ঝরে যেতাম ভূপৃষ্ঠে ৷     জীবনের এতো অপ্রাপ্তির হিসেব নিয়ে হয়তো,  কাটাতে হতো না জীবন ৷   আমি যদি আকাশের অনেক দূরের তারা হতাম, তবে হয়তো খসে যেতাম দিগন্তে   ; এতো অজস্র প্রেমহীনতার দীকহীনতায়      কাটাতে হতো না সময় ৷   আমি যদি ভিসুভিয়াসের আগ্নেয়গিরি হতাম,     তবে হয়তো জীবনের  রাগ-ক্ষোভ ক্রোধে     ফেটে উঠতাম ; সবার অজান্তে৷  আমি যদি কুকিল  হতাম,        তবে হয়তো বসন্তের আড়ালে    হারিয়ে দিতাম নিজেকে;      অনেক লম্বা এক সময়ের জন্য  ; জানি না নিজেকে জানতে এই সময় যথেষ্ট কিনা! আমি যদি পেন্সিল হতাম  তবে হয়তো জীবনের যত হতাশা  তা লিখে নিজের অস্তিত্ব শেষ করে দিতাম   তাই আমি মনুষ্যত্বের আড়ালে,  বন্দিত্ব মস্তিষ্ক নিয়ে,  মহাবিশ্বের অভিনয়ে কাটিয়ে যাচ্ছি জীবন  https://www.facebook.com/Poem-of-himel-10...